Jul 10, 2020

Let's go to Bonapatna village in West Midnapore District. Take a private car or board buses that ply from Kharagpur station to Kathi through O T road, get down to Rampura stop.  Through the village pucca road reach at village Bonapatna, altogether 15 Km from Kharagpur Station. Almost on the lap of Jungle Mohol, Bonpatna is under  Kharagpur Local Police Station and one of the village under Khelar Gham Panchayet. 

Once upon a time, Bonapatna was a prosperous village and  'Satpati' family was the zamindar of this village. Some of their deities are found to be notable antiquities here. A few temples are present at Thakurbari   (22°15'16.12"N, 87°20'49.03"E) on the west end of the village. Thakurbari is bounded by a square wall. In the middle of the Thakurbari, there is a temple of deity Raghunath Jiu. Temple architecture is of 
Bengal’s Pancharatna Gharana. The temple is founded on a high plinth and made of Laterite stone. Three arch  entrance is east facing. The three arch  entrance at the front and north of the inner sanctum but closed verandah on the south and west sides. There was two rows inscribed on the inner sanctum -

১.  শ্রীসিতলপ্রসাদ ষড়ঙ্গী  ...কারক/সন ১২৭৫ সাল ২৫ শে বৈশাখ
২   শ্রী বৃজমোহন সতপতি শ্রীগজেন্দ্র/নাথ সতপতি

According to the inscript, temple was constructed in the year of  1868-69
 and the builder was Brijmohan Satpati and Gajendra Nath Satpati and the name of  mistry was Sitala Prasad Sharangi. According to that temple is 150 years old.

There are various stucco floral designs and paintings on the wall of the inner sanctum. There are various stucco floral designs in the east, north and south face of the temple. There is a dancing hall/natmondir in front/ eastern side of the temple. The dancing hall/natmondir is built of laterite stones, with a large entrance to the east and Three arch  entrance to the north and south. On the north side there is a dining hall adjacent to the wall and on the south single storied with five arch entrance guest house alongside the wall. They are made of thin brick. The dining room is now without roof. The guesthouse is abandoned. The construction style of the guest house is of colonial architecture. To the north of the guest house there is an abandoned temple of charchala style made of laterite stones. To the north outside Thakur's house, there is an attchala style Shiva temple made of laterite. To the north of it there is a  holy pond. At present the Board of Public Trustees is in charge of the temple. The five shikharas have

recently been repaired with cement plaster, leaving the temple design intact as far as possible. There is regular worship in the temple. Special Pooja was organized at Paush Purnima on the occasion of the inauguration of the kingdom after returning from the 14 years Banvas of Sri Sri Ramachandra.

Almost opposite of the Khelar Panchayat office village Hats sits on Friday. These hats will attract the people lives in city for sure. You can walk on the bank of  blue water reservoir  next to the hut. Opposite bank of this reservoir at the  southwest corner of the village there is flatten rock surface of laterite  stone, the view of flowing water during the monsoon is very beautiful, it is locally known as Patharghata. The greenery of the countryside and the plethora of heritage will impress you for sure. Nearby, you can see the Damodar Jiu Temple, Kurumbera Fort (30 km) of Gaganeshwar village, Tapoban and Rameshwar Temple (25 km), Mogalmari Buddhist Mahavihar (50 km), Kalua Snar temple of Nayagram, Jangal Mohal.

Find this place on Google Map.

Information Source: 
মেদিনীপুর জেলার প্রত্ন-সম্পদঃ প্রনব রায় 


Bengali Version :
চলো যাই  পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার  বনপাটনা গ্রামে। খড়গপুর স্টেশন থেকে কাঁথি গামী বাসে ও টি  রোড হয়ে  প্রথমে রামপুরা স্টপেজে  নামতে হবে,  রামপুরা থেকে পশ্চিমে অধুনা গ্রাম্য  পাকা রাস্তায়  বনপাটনা , মোট ১৫ কিমি রাস্তা  ।  খড়গপুর লোকাল থানার  খেলাড়  গ্রাম পঞ্চায়েতের  অন্তর্গত জঙ্গলমহল ঘেঁষা গ্রাম  বনপাটনা ।  

জানা যায় এককালের  সমৃদ্ধিশালী বনপাটনা গ্রামের ‘সতপতি’  পরিবার এখানকার  জমিদার ছিলেন ।  তাদেরই  প্রতিষ্ঠিত কয়েকটি দেবালয়  এখানের উল্লেখযোগ্য পুরাকীর্তি । গ্রামের পশ্চিম প্রান্তে  একটি ঠাকুরবাড়িতে কয়েকটি মন্দির বর্তমান । ঠাকুরবাড়িটি  চারচৌকো প্রাচীর বেষ্টিত । ঠাকুরবাড়ির মধ্যেখানে পশ্চিম ঘেঁষে   রঘুনাথ জিউয়ের  পঞ্চরত্ন ঘরানার মন্দির । ল্যাটেরাইট মানে মাকরা পাথরে তৈরি । মন্দিরটি উচ্চ ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত । পূর্বমুখী মন্দিরের সম্মুখসংলগ্ন ত্রিখিলান প্রবেশপথ । গর্ভগৃহের সামনে  ও উত্তর দিকে ত্রিখিলান প্রবেশপথযুক্ত বারান্দা  কিন্তু দক্ষিণ ও পশ্চিম পাশে ঘেরা বারান্দা। গর্ভগৃহের বেদীতে কয়েক সারি  লিপি আছে -
১.  শ্রীসিতলপ্রসাদ ষড়ঙ্গী  ...কারক/সন ১২৭৫ সাল ২৫ শে বৈশাখ
২   শ্রী বৃজমোহন সতপতি শ্রীগজেন্দ্র/নাথ সতপতি 


লিপি অনুযায়ী মন্দিরের নির্মাণ  কাল ইংরাজি ১৮৬৮-৬৯ সাল ও নির্মাতা ছিলেন শ্রী বৃজমোহন সতপতি শ্রীগজেন্দ্র/নাথ সতপতি ও মিস্ত্রির নাম শ্রীসিতলপ্রসাদ ষড়ঙ্গী  । সেই হিসাবে মন্দিরগুলি ১৫০  বছরের পুরানো । 
গর্ভগৃহের ভিতরের  দেওয়ালে ও  বিগ্রহের অধিষ্ঠান বেদীর চারপাশের দেওয়ালে স্টাকোর নানা রঙের  ফুলকারি নকশা  ও পেইন্টিং  আছে  ।  মন্দির গাত্রে উত্তর দক্ষিণে  ও পুব মুখে   স্টাকোর  নানা সুদৃশ্য  ফুলকারি  নকশা বর্তমান ।  মন্দিরের   সামনে একটি  নাটমন্দির আছে । নাটমন্দিরটি  মাকড়া পাথরে তৈরী, পূর্ব পশ্চিমে একটি বড় ও উত্তর দক্ষিণে  ত্রিখিলান প্রবেশ  পথ ।  উত্তর দিকে প্রাচীরগাত্র সংলগ্ন  ভোজনশালা  ও দক্ষিণদিকে প্রাচীরগাত্র সংলগ্ন এক তলা  পাঁচটি  প্রবেশপথ যুক্ত    অতিথিশালা  বর্তমান ।  এগুলি পাতলা ইটে তৈরি।   ভোজনশালাটি  ছাদ   বিহীন ।  অতিথিশালাটি   ভাঙ্গাচোরা ও পরিত্যক্ত । অতিথিশালার নির্মাণ  শৈলীতে  উপনিবেশিক   ঘরানার ছাপ স্পষ্ট । অতিথিশালার  উত্তরদিকে মাকড়া পাথরের তৈরী  একটি চারচালা  রীতির  পরিতাক্ত মন্দির আছে ।  ঠাকুর বাড়ির বাইরে উত্তর দিকে একটি আটচালা রীতির  মাকড়া পাথরের তৈরী শিবালয় আছে। তার উত্তরদিকে  আছে একটি কুণ্ড বা পুকুর। বর্তমানে মন্দিরের দায়িত্বে পাবলিক ট্রাস্টি বোর্ড। পাঁচটি  চুড়া খুব সম্প্রতি  সিমেন্ট প্লাস্টার  সহ মেরামত করা হয়েছে  যতদূর সম্ভব  মন্দিরের নকসা  অক্ষুণ্ণ  রেখে। মন্দিরে নিত্য পুজা হয় । বনবাস থেকে মর্যাদা পুরুষোত্তম শ্রী শ্রী রামচন্দ্রের ১৪ বছরের বনবাস থেকে ফিরে রাজ্য অভিষেক উপলক্ষে পৌষ পূর্ণিমায় বিশেষ পুজার আয়োজন করা হয়।

খেলার পঞ্চায়েত অফিসের  প্রায় উল্টোদিকে  একটি বিরাট মাঠে  বনপাটনা হাট বসে শুক্রবারে । এই অঞ্ছলের  হাটগুলো শহরের  মানুষ  কে আকর্ষণ  করবেই।   হাটের পাশে মরাম খাদানে জল জমে নীল রঙের বিশাল জলাশয়। একটু দূরে  গ্রামের দক্ষিণ পশ্চিম কোনে আছে মাকড়া পাথরের বিশাল চত্তান , তার উপরদিয়ে বর্ষা  কালে জলধারা নেমে আসার দৃশ্য  বড়ই  মনরম , এটা স্থানীয়  ভাবে পাথরঘাটা নামেই পরিচিত । সবুজে মোড়া  গ্রাম্য পরিবেশ আর ঐতিহ্যর হাতছানি  আপনাকে মুগ্ধ করবেই। এর কাছাকাছি পুরাকীর্তি যেটা আপনি দেখে নিতে পারেন অনতিদুরে খেলার  দামোদর  জিউ মন্দির,   গগনেস্বর গ্রামের কুরুমবেড়া  ফোর্ট (৩০ কিমি) , তপোবন ও  রামেস্বর  টেম্পল (২৫ কিমি) , মোগলমারি বৌদ্ধ মহাভিহার (৫০ কিমি), নয়াগ্রামে জঙ্গল মহলের দেবতা কালুয়া ষাঁড় মন্দির   ইত্যাদি।

 ছবির জন্য উপরে দেখুন।




কুরুমবেড়া  ফোর্ট  সমন্ধে এখানে ক্লিক করুন।
রামেস্বর টেম্পল সমন্ধে এখানে ক্লিক করুন।




   

 

blogger templates | Make Money Online